জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ শ্রীঅদৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ শ্রীঅদৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ শ্রীঅদৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে
সবাইকে নমস্কার

Thursday, 7 April 2016

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অধ্যাপনা

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অনুসারীদের কয়েকজন বয়সে তাঁর চেয়ে বড় ছিলেন। খুব অল্প বয়সেই শ্রীচৈতন্যদেব অধ্যাপনা শুরু করেন। অসাধারণ প্রতিভাসম্পন্ন ছিলেন তিনি। মাত্র এগার বছর বয়সেই পি.এইচ.ডিগ্রিধারীর সম পর্যায়ভুক্ত হন এবং তাঁর নিজের পাঠশালার অধ্যাপক হন। এই অল্প বয়সেই তিনি ভারতের সেরা শিক্ষকদের একজনরূপে পরিগণিত হন।
মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সেই তিনি নিমাই পণ্ডিত  নামে সবার কাছে পরিচিত হন। 


শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ও শুকপাখি

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অবতরণের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সংকীর্তন আন্দোলন প্রবর্তন করা। তাঁর অবতরণের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো ভক্ত তাঁকে ভালোবেসে যে আনন্দ পায় তা অনুভব করা। এই অনুভূতি লাভের একমাত্র উপায় হচ্ছে নিজেই ভক্তরূপে অবতীর্ণ হওয়া। তাই যখন তিনি ভক্তভাব নিয়ে আবির্ভূত হন, তিনি কাউকে বুঝতে দিতে চাইতেন না যে, তিনি স্বয়ং ভগবান; বরং তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের একজন বিনীত সেবকরূপে অভিনয় করতেন।
প্রেমবিবর্ত নামক গ্রন্থে জগদানন্দ পণ্ডিত  বর্ণনা করেছেন, শৈশবে তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সঙ্গে পাঠশালায় যেতেন এবং তাঁরা অলকানন্দা গঙ্গার পাশে


Sunday, 3 April 2016

তুলসী-প্রদক্ষিণ মন্ত্র

যানি কানি চ পাপানি ব্রহ্মহত্যাদিকানি চ।
তানি তানি প্রনশ্যন্তি প্রদক্ষিণ পদে পদে ॥    


অনুবাদ :

তুলসী দেবীকে প্রদক্ষিণ করার সময় ব্রহ্মহত্যাসহ গুরুতর পাপ সমূহ পদে পদে বিনষ্ট হয়।

তুলসী প্রণাম মন্ত্র


বৃন্দায়ৈ তুলসী দেব্যৈ প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ।
কৃষ্ণভক্তিপ্রদে দেবী! সত্যবত্যৈ নমো নমঃ ॥

অনুবাদ :
কেশবপ্রিয়া বৃন্দাদেবী যিনি কৃষ্ণ-ভক্তি প্রদান করেন সেই সত্যবতী
তুলসী দেবীকে আমি বারবার প্রণাম নিবেদন করি।

পঞ্চতত্ত্ব প্রণাম মন্ত্র

(জয়) শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ।
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌরভক্তবৃন্দ ॥

অনুবাদ :
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য, প্রভু নিত্যান্দ, শ্রীঅদ্বৈত আচার্য, শ্রীগদাধর এবং
শ্রীবাস আদি গৌরভক্তবৃন্দের জয় হোক।

শ্রীজগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রাদেবীর প্রণাম মন্ত্র


নীলাচলনিবাসায় নিত্যায় পরমাত্মনে।
বলভদ্র সুভদ্রাভ্যাং জগন্নাথায় তে নমঃ  ॥

অনুবাদ :
পরমাত্মা স্বরূপ যাঁরা নিত্যকাল নীলাচলে বসবাস করেন, সেই বলদেব, সুভদ্রা ও জগন্নাথদেবকে প্রণতি নিবেদন করি।

শ্রীরাধারাণী প্রণাম


তপ্তকাঞ্চন-গৌরাঙ্গী রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানুসুতে দেবী প্রণমামি হরিপ্রিয়ে ॥

অনুবাদ:
শ্রীমতী রাধারাণী, যাঁর অঙ্গকান্তি তপ্ত কাঞ্চনের মতো এবং যিনি বৃন্দাবনের ঈশ্বরী, যিনি মহারাজ বৃষভানুর দুহিতা এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রেয়সী, তাঁর চরণকমলে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি জানাই।

শ্রীকৃষ্ণ প্রণাম


হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধো দীনবন্ধো জগৎজতে।
গোপেশ গোপিকাকান্ত রাধাকান্ত নমোহস্তু তে ॥

অনুবাদ :
হে আমার প্রিয় কৃষ্ণ, তুমি করুণার সিন্ধ, তুমি দীনের বন্ধু, তুমি সমস্ত জগতের পতি, তুমি গোপিকাদের ঈশ্বর এবং শ্রীমতি রাধারাণীর প্রেমাস্পদ, আমি তোমার শ্রীপাদপদ্মে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

শ্রীপঞ্চতত্ত্ব প্রণাম

পঞ্চতত্ত্বাত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপস্বরূপকম।
ভক্তাবতারং ভক্তাখ্যং নমামি ভক্তশক্তিকম্ ॥
অনুবাদ:

ভক্তরূপ, ভক্তস্বরূপ, ভক্ত অবতার এবং ভক্ত শক্তি এই পঞ্চতত্ত্বাত্মক শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচরণকমলে প্রণতি নিবেদন করি।
ভক্তরূপ-শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, ভক্তস্বরূপ-নিত্যানন্দ প্রভু, ভক্তাবতার-অদ্বৈত আচার্য প্রভু, ভক্ত-শ্রীবাস ঠাকুর, ভক্তশক্তি-শ্রীগদাধর পণ্ডিত।

শ্রীগৌরাঙ্গ প্রণাম

নমো মহাবদান্যায় কৃষ্ণপ্রেমপ্রদায় তে।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যনানাম্নে  গৌরত্বিষে নমঃ ॥


অনুবাদ :
আমি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই, যিনি স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ এবং অন্যান্য অবতার অপেক্ষা উদার, তিনি অত্যন্ত দুর্লভ কৃষ্ণপ্রেম প্রদান করেছেন, তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি জানাই।

জগন্নাথ মিশ্রের স্বপ্ন

জগন্নাথ মিশ্র মাঝে মাঝে দুষ্ট নিমাইকে শাসন করতে চাইতেন। একদিন তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এক ব্রাহ্মণ আবির্ভূত হয়ে তাঁকে বলছেন, “আপনি আপনার ছেলেকে কীভাবে শাস্তি দেবেন? তিনি স্বয়ং কৃষ্ণ। স্বয়ং ঈশ্বর। তিনি নারায়ণ। আপনি কিভাবে তাঁকে শাসন করবেন?”
তখন তিনি ভাবতে লাগলেন, “আপনি কী বলতে চান? নিমাই আমার ছেলে, আর আমি ওর পিতা। সে সঠিকভাবে বেড়ে উঠছে কি না তা দেখা আমার দায়িত্ব। তাকে আমার শিক্ষা দেওয়া উচিত এবং শাসন করা উচিত।” ব্রাহ্মণ আবার বললেন, “আপনার পুত্র স্বয়ং ঈশ্বর। তিনি পুরুষোত্তম। তিনি কৃষ্ণ। আপনি ঈশ্বরকে কী শিক্ষা দেবেন?”
জগন্নাথ মিশ্র উত্তর দিলেন, “পিতা পিতা-ই, পুত্র পুত্র-ই, সে কে তা দেখার বিষয়

কুকুরছানাকে মুক্তি দান

শ্রীকৃষ্ণ মুক্তি দান করেন। তাই তাঁর আরেক নাম মুকুন্দ। কিন্তু শ্রীচৈতন্যদেব শুধু মুক্তিই দান করেন না, তিনি প্রেমও দান করেন। তিনি তখন তিন-বছরের বালক। একদিন কয়েকটি কুকুর ছানাকে তাঁর বাড়ির পাশে খেলা করতে দেখলেন। তাঁকে আসতে দেখে কুকুরছানাগুলো দৌড়ে পালাল, কিন্তু একটি থেকে গেল। তাই তিনি ভাবলেন, “আমি এটিকে পুষব।’ কুকুরটির গলায় দড়ি বেঁধে ঘরে নিয়ে এলেন এবং জড়িয়ে ধরে আদর করলেন।
কিন্তু শচীমাতা তা দেখে বললেন, “এসব কী করছ? তুমি ব্রাহ্মণের ছেলে,